মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ


সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী (১৮৮০-১৯৩১)

যাদব চন্দ্র চক্রবর্তী (১৮৫৫-১৯২০)


মকবুলা মঞ্জুর

আবদুল্লাহ আল-মুতী শরফুদ্দিন (১৯৩০-১৯৯৮)

১৮৮৭ সালে ১৮ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের কৃতী
পুরুষ মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার
সয়াধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাল্যকালেই তিনি পিতৃমাতৃহীন হন। নানা
ঘাত-প্রতিঘাত ও প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে যৌবনে পদার্পন করেন করার পর তিনি
ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী সংগঠন ‘অনুশীলন’ দলের প্রাথমিক সদস্য হন। পরবর্তীতে
নিরাপত্তার অন্বেষায় তিনি আসামে চলে যান। মওলানা ভাসানী সারাজীবন
কৃষক-শ্রমিক-মেহনতী মানুষের পক্ষে আপোষহীনভাবে সংগ্রাম করতে গিয়ে বহু জেল,
জুলুম ও নির্যাতন ভোগ করেছেন। তিনি বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল
আওয়ামী লীগের (প্রাথমিকভাবে যে দলের নাম মুসলিম আওয়ামী লীগ ছিল)
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। ১৯৫৬ সালে ঐতিহাসিক কাগমারী (টাঙ্গাইলের
সন্তোষে) সম্মেলনে পররাষ্ট্রনীতির প্রশ্নে মতপার্থক্যের কারণে তিনি আওয়ামী
লীগ থেকে পদত্যাগ করেন এবং ন্যাপ নামক অপর একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।
ঊনবিংশ শতাব্দীতে পাক-ভারত উপমহাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে মওলানা ভাসানী মজলুম
জননেতা হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। ভাসানী প্রগতিশীল, মানবতাবাদী ও মুক্ত
চিন্তা-চেতনায় সমৃদ্ধ বিরল ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। সিরাজগঞ্জের
তেজোদীপ্ত প্রাণপুরুষ জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ১৯৭৬ সালে
ইন্তেকাল করেন।
১৯০০
সালে মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ উল্লাপাড়া থানার অন্তর্গত তারুটিয়া
গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন অনলবর্ষী বক্তা ছিলেন। ১৯২২ সালে মাত্র
২২ বছর বয়সে মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ একজন সক্রিয় সংগঠক হিসেবে
ঐতিহাসিক সলঙ্গা কৃষক বিদ্রোহ কর্মসূচিতে যোগদান করেন। ১৯৪৬ সালে পাকিস্তান
প্রতিষ্ঠার ইস্যুতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি এম.এল.এ. নির্বাচিত হন। ১৯৫২
সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনরত ছাত্রদের উপর পুলিশের
নির্বিচারে গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে গণপরিষদের সদস্য হিসেবে তিনিই সর্বপ্রথম
তদানীন্তন মুসলিম লীগ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেন
এবং পার্লামেন্ট থেকে ওয়াক আউট করে রাজপথে এসে ছাত্র-জননেতার সাথে
একাত্মতা প্রকাশ করেন। ১৯৫৪ সালে হক-ভাসানী-সোহ্রাওয়ার্দীর যুক্তফ্রন্টের
মনোনয়নে মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ প্রাদেশিক পরিষদে এম.পি.
নির্বাচিত হন। ১৯৫৭ সালে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতির পদে নির্বাচিত হন।১৯৭০
ও ১৯৭৩ সালে এম.এন.এ. এবং এম.পি. নির্বাচিত হন। সিরাজগঞ্জের কৃতিপুরুষ, অকুতোভয় জননেতা মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ ১৯৮৬ সালে ইন্তেকাল করেন।
শহীদ এম. মনসুর আলী
বাংলাদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী শহীদ এম.
মনসুর আলী ১৯১৭ সালে ১৬ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ সদর থানার রতনকান্দী ইউনিয়নে
কুড়িপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাল্যকাল থেকেই তিনি অত্যন্ত মেধাবী
ছাত্র ছিলেন। গান্ধাইল স্কুল থেকে তিনি মাইনর পরীক্ষায় বৃত্তি লাভ করেন
এবং সিরাজগঞ্জ বি.এল. স্কুল থেকে প্রথম বিভাগে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীণ
হন। শহীদ এম. মনসুর আলী আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে ১ম বিভাগে
এম.এ. পাশ করেন এবং আইন বিভাগে ১ম বিভাগে এল.এল.বি. পাশ করেন। ১৯৫১ সালে
তিনি পাবনা জজকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন এবং অতি অল্প দিনের মধ্যে ব্যপক
প্রসার প্রতিষ্ঠা অর্জন করেন। আইন ব্যবসার পাশাপশি তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার
সাথে হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী ও বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে রাজনৈতিক
কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৫৪ সালে তিনি তদানীন্তন পূর্বপাকিস্তান
প্রাদেশ পরিষদে যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভায় খাদ্যমন্ত্রী, রাজস্বমন্ত্রী ও
আইনমন্ত্রির দায়িত্ব পালন করেন। জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর সারাজীবনের একান্ত
ঘনিষ্ঠ সহকর্মী, স্বাধীনতাযুদ্ধের অন্যতম অগ্রনায়ক অসাধারণ ধীশক্তিসম্পন্ন
রাজনীতিবিদ, জনদরদি নেতা শহীদ এম. মনসুর আলী মুজিব নগর সরকারের
অর্থমন্ত্রী এবং স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে যথাক্রমে যোগাযোমন্ত্রী,
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রাধানমন্ত্রীর পদে অধিষ্ঠিত হন। ব্যক্তিগত জীবনে
শহীদ এম. মনসুর আলী অমায়িক, সদালাপী ও নিরহংকার প্রকৃতির মানুষ ছিলেন।
ন্যায়নিষ্ঠা ও সতদার মূর্ত প্রতীক মৃত্যুঞ্জয়ী মাহাপুরুষ শহীদ এম. মনসুর
আলীর মহান স্মৃতি সিরাজগঞ্জসহ দেশের অগণিত মানুষের মনের মণিকোঠায় চির
অম্লান হয়ে থাকবে।
সিরাজগঞ্জের বিশিষ্ট লেখক, বাগ্মী এবং কৃষক নেতা। তিনি সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন (এ কারণেই তিনি তাঁর নামের সঙ্গে ‘সিরাজী’ উপাধি
যুক্ত করেন)। পিতা আব্দুল করিম খন্দকার (১৮৫৬-১৯২৪) ইউনানী (ভেষজ ঔষধ)
চিকিৎসক ছিলেন। আর্থিকভাবে তিনি তেমন স্বছল ছিলেন না। তাই যথেষ্ট মেধাবী
হওয়া সত্ত্বেও সিরাজীর কলেজে পড়া সম্ভব হয়নি। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা
গ্রহণ করতে না পারলেও তিনি মেধা চর্চা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেননি। সিরাজী
লেখালেখি করে এবং সভা সমিতিতে বক্তৃতা করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তাঁর লেখা
ও বক্তৃতার প্রধান বিষয়বস্ত ছিল বাংলার অনগ্রসর মুসলিম সমাজকে জাগিয়ে
তোলা। বাগ্মী হিসেবে তিনি যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছিলেন। মুসলমানদের
স্বার্থের কথা বললেও তিনি সাম্প্রদায়িক ছিলেন না। তিনি মনে করতেন, সম্পদের সুসম বন্টনের মধেই হিন্দু-মুসলমানের সৌহার্দ নির্ভর করছে। ইসমাইল হোসেন সিরাজী একই সাথে বেশ কিছু সংগঠন ও দলের সদস্য ছিলেন, যেমন অল ইন্ডিয়া ন্যাশনাল কংগ্রেস, জামিয়াত-ই-উলামা-ই-হিন্দ, ’স্বরাজ
পার্টি ও কৃষক সমিতি। শিবলী নোমানী (১৮৫৭-১৯১৪) ও মুহম্মদ ইকবালের
(১৮৭৬-১৯৩৮) প্রভাব প্রতিফলিত হয়েছিল সিরাজীর ওপর। তাঁদের মতো তিনিও অনুভব
করেছিলেন যে ধর্মীয় ও সেক্যুলার চিন্তার মধ্যে সমন্বয় সাধন করে একদিকে
যেমন ভারতীয় মুসলমান সম্প্রদায়কে জাগিয়ে তোলা সম্ভব, অন্যদিকে তেমনি সম্ভব অবনতিশীল হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কে উন্নয়ন। সমসাময়িক পত্রিকা আল-এসলাম, ইসলাম প্রচারক, প্রবাসী, প্রচারক, কোহিনুর, সোলতান, মোহাম্মাদী, সওগাত, নবযুগ
ও নবনূর প্রভৃতিতে সিরাজীর লেখা প্রকাশিত হতো। তাঁর অধিকাংশ লেখাতেই
ইসলামি ঐতিহ্য সংস্কৃতি ও উত্তরাধিকারকে উদ্দীপ্ত করে তোলার প্রয়াস ছিল।
তিনি আধুনিক শিক্ষা ও সত্যিকার ইসলামি শিক্ষার পক্ষে বক্তব্য রেখেছিলেন।
ইসমাইল হোসেন সিরাজী সিরাজগঞ্জে কৃষক আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। তিনি জমিদার ও মহাজন বিরোধী আন্দোলনে কৃষকদের সংগঠিত করেন। ইসমাইল হোসেন সিরাজীর কাব্যগ্রন্থগুলি হচ্ছে অনল প্রবাহ (১৯০০), আকাংখা (১৯০৬), উচ্ছ্বাস (১৯০৭), উদ্বোধন (১৯০৭), নব উদ্দীপনা (১৯০৭), স্পেন বিজয় কাব্য (১৯১৪), সঙ্গীত সঞ্জীবনী (১৯১৬), প্রেমাঞ্জলি (১৯১৬)। তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হচ্ছে রায়নন্দিনী (১৯১৫), তারাবাঈ (১৯১৬), ফিরোজা বেগম (১৯১৮) ও নুরুদ্দীন (১৯১৯) ইত্যাদি।
সিরাজগঞ্জ জেলা শহর থেকে মাত্র সাত আট
মাইল দক্ষিণে কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামে জন্ম
গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম কৃষ্ণ চন্দ্র চক্রবর্তী ও মাতার নাম দূর্গা
সুন্দরী। তিনি খুবই মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তিনি গণিত শাস্ত্রে কৃতিত্বের
সঙ্গে এম এ ডিগ্রী হাসিল করে প্রথমে কলকাতা সিটি কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন
এবং এখান থেকেই পাটিগণিত রচনায় মশগুল হন। আলীগড় মুসলিম বিদ্যালয়ের
প্রতিষ্ঠাতা স্যার সৈয়দ আহমদ যাদব চন্দ্রকে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে
পাটিগণিতের অধ্যাপক পদে নিয়োগ দেন এবং নিজ বাসভবনের কাছেই যাদব চন্দ্রের
জন্য একটি বাংলো বাড়ী ভাড়া করে দেন। যাদব পরে আলীগড় কলেজে অধ্যাপনা কালে
১৮৯০ সালে ইংরেজিতে তার পাটিগণিত বইটি প্রকাশ করেন। অল্পকালের মধ্যেই সেই
পাটিগণিত বাংলা, উর্দু, হিন্দী, আসামী, মায়াবী, নেপালী প্রভৃতি ভাষায়
অনুবাদের মাধ্যমে প্রচলিত হয়। ১৯১২ সালে যাদব চন্দ্র চক্রবর্তী বীজগণিত
প্রকাশ করেন। সেই বীজগণিতও একই রকম জনপ্রিয়তা লাভ করে। তিনি ১৯১৬ সালে
আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে অবসর গ্রহণ করে সিরাজগঞ্জে দেশের বাড়ীতে ফিরে
আসেন। ইতঃপূর্বে ১৯০১ সালে তিনি সিরাজগঞ্জ শহরের ধানবান্ধিতে একটি পাকা
ইমারত তৈরী করে ছেলেমেয়েদেরকে এখানে রেখেই পড়াশোনার বন্দোবসত্ম করেছিলেন।
অবসর জীবনে তিনি সেই বাড়ীতে এসেই বসবাস করতে থাকেন। তিনি গ্রামের বাড়ী
তেঁতুলিয়ায় একটি পাকা মন্দির নির্মাণ করেছিলেন। ১৯২০ সালের ২৬ নভেম্বর ৬৯
বছর বয়সে কলকাতার নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
সুচিত্রা সেন
সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি থানার অমত্মর্গত
সেন ভাঙ্গাবাড়ী গ্রামে সুচিত্রা সেনের জন্ম। তিনি ছিলেন কবি রজনীকান্ত
সেনের নাতনী। পাবনা শহরে লেখাপড়া শিখে সুচিত্রা সেন কলকাতায় চলে যান এবং
পরবর্তীকালে মনোমোহিনী চিত্র তারকা হিসাবে বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেন।
মকবুলা মঞ্জুর
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ থানার মুগবেলাই
গ্রামে ১৯৩৮ সনে মকবুলা মঞ্জুর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন প্রখ্যাত
উপন্যাসিক, ছোট গল্পকার ও নাট্যকার। তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে
আর এক জীবন (উপন্যাস), নীলকণ্ঠী, পঞ্চকন্যা প্রভৃতি। রেডিও ও টিভির জন্য
কথিকা ও নাটক রচনায় তিনি সবসময় নিয়োজিত ছিলেন। সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ড.
মোখলেছুর রহমান, পাক বাংলাদেশের ফোক-ফ্যান্টাসী চিত্র পরিচালক ইবনে মিজান
(মন্টু) ও বাংলাদেশের সৎ চলচ্চিত্র আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃত লেখক, সাংবাদিক
আজিজ মেছের (টুংকু) মকবুলা মঞ্জুরের সহোদর ভাই।
আবদুল্লাহ আল-মুতী শরফুদ্দিন (১৯৩০-১৯৯৮)
তিনি ছিলেন জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক,
শিক্ষাবিদ ও প্রশাসক। আবদুল্লাহ আল-মুতী শরফদ্দিন ১৯৩০ সালের ১ জানুয়ারি
সিরাজগঞ্জ জেলার ফুলবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৩ সালে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে এম, এস সি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা বিষয়ে ১৯৬০ সালে এম, এ ও ১৯৬২ সালে
পিএইচ, ডি ডিগ্রী লাভ করেন। বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন সচিব আল-মুতী শরফুদ্দিনের কর্মজীবন শুরু হয় সরকারি
কলেজের একজন শিক্ষক হিসেবে। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষক-প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের
পরিচালক, জনশিক্ষা পরিচালক (ডিপিআই), বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসের শিক্ষা ও
সংস্কৃতি বিষয়ক কাউন্সিলর, শিক্ষা ও বিজ্ঞান বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের
যুগ্ম-সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। চাকরি থেকে অবসর
গ্রহণের পর তিনি এডিবি-ইউএনডিপি অর্থায়নকৃত মাধ্যমিক বিজ্ঞান শিক্ষা
প্রকল্পের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন।


No comments:
Post a Comment