ওজন কমাতে সহায়তা করে

my blog

পানীয় বলতে কি শুধুই চিনি ও কেমিক্যালে ভরপুর সফট ড্রিংকসকেই বোঝায়, যা দেহের ওজন বাড়িয়েই তুলতে থাকে? না। ওজন কমিয়ে দেয়ার জন্য যেমন রয়েছে অনেক ফ্যাটবিহীন সুস্বাদু খাবার তেমনই রয়েছে দারুণ সব পানীয়। আজকে চিনে নিন দ্রুত ওজন কমাতে কার্যকরী এমন কিছু পানীয় যা আপনি নির্দ্বিধায় পান করতে পারেন
  

১) গ্রিন টি গ্রিন টি বর্তমানে ওজন কমানোর জন্য সবচাইতে পরিচিত এবং জনপ্রিয় পানীয়। দিনে প্রায় ৩ কাপ পরিমাণে গ্রিন টি পান করে আপনি বেশ দ্রুত প্রায় ৪৩% অজম কমিয়ে ফেলতে পারেন মাত্র ১ সপ্তাহের মধ্যে। 

 ২) টকদই সমৃদ্ধ স্মুদি স্মুদি সুস্বাদু পানীয় হলেও অনেকে এর থেকে দূরে থাকেন সুগারের জন্য। কিন্তু স্মুদিটাকেও সুস্বাদু ও ওজন কমানোর হাতিয়ার তৈরি করে নেয়া যায় স্মুদিতে টকদই ব্যবহার করে এবং চিনির পরিবর্তে মধু ব্যবহার করে। প্রায় ৬১% ওজন কমাতে পারবেন স্মুদি পান করে এবংজদি আপনি পেটের মেদ কমাতে চান তাহলে সফলতা পাবেন প্রায় ৮১% পর্যন্ত।

 ৩) কফি দ্রুত ওজন কমাতে ক্যাফেইনের জুড়ি নেই। কফি বেশ দ্রুতই ফ্যাট বার্ন করে দ্রুত ওজন কমাতে সক্ষম। তবে তা অবশ্যই ব্ল্যাক কফি হতে হবে, দুধ ও চিনিতে ভরপুর কফি পান করে ওজন কমানোর আশা বাদ দিন। এবং দিনে ২/৩ কাপের চাইতে বেশী কফি পান করবেন না একেবারেই। এতেই ভালো ফলাফল পেয়ে যাবেন।


 ৪) দুধ অনেকের ধারণা দুধ পান করার ফলে ওজন বাড়তে থাকে যা খুবই ভুল একটি তথ্য। দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আর এই ক্যালসিয়াম ফ্যাট বার্ন করতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী। এছাড়াও দুধ খুব ভালো প্রোটিনের উৎস যা অনেকটা সময় ক্ষুধার উদ্রেক করে না। এতে আপনি খাবার বিশেষ করে অস্বাস্থ্যকর খাবার কম খাবেন যার ফলে ওজনটাও কমাতে পারবেন দ্রুত। তবে এক্ষেত্রেও বেছে নিন ননী বিহীন দুধ।

৫) ফল ও সবজির রস প্রতিবেলা খাওয়ার আগে যদি ১ গ্লাস পরিমাণে ফল বা সবজির রস অর্থাৎ শুধুমাত্র সরাসরি চিনি ছাড়া রস পান করে নিতে পারেন তাহলে আপনি সাধারনের চুলনায় প্রায় ১৩৫ ক্যালরি কম খাবার খাবেন। এতে আপনাআপনিই ওজন কমে আসবে অনেকটা। 

৬) ঠাণ্ডা পানি তেষ্টা মেটাতে সত্যিকার অর্থেই পানির কোনো বিকল্প নেই। আপনি পানির কাজ অন্য কোনো পানীয় দিয়ে করতে পারবেন না। খুবই আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে আপনি শুধুমাত্র পানি পানের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েও ওজন কমিয়ে আনতে পারেন অনেকটা। খাওয়ার আগে পানি পান করার অভ্যাস এবং দিনের অন্যান্য সময় পানি পান করে ক্ষুধার উদ্রেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখার ফলে ওজন কমে দ্রুত।
১) গ্রিন টি
গ্রিন টি বর্তমানে ওজন কমানোর জন্য সবচাইতে পরিচিত এবং জনপ্রিয় পানীয়। দিনে প্রায় ৩ কাপ পরিমাণে গ্রিন টি পান করে আপনি বেশ দ্রুত প্রায় ৪৩% অজম কমিয়ে ফেলতে পারেন মাত্র ১ সপ্তাহের মধ্যে। - See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/54563#sthash.WX004VxE.dpuf
পানীয় বলতে কি শুধুই চিনি ও কেমিক্যালে ভরপুর সফট ড্রিংকসকেই বোঝায়, যা দেহের ওজন বাড়িয়েই তুলতে থাকে? না। ওজন কমিয়ে দেয়ার জন্য যেমন রয়েছে অনেক ফ্যাটবিহীন সুস্বাদু খাবার তেমনই রয়েছে দারুণ সব পানীয়। আজকে চিনে নিন দ্রুত ওজন কমাতে কার্যকরী এমন কিছু পানীয় যা আপনি নির্দ্বিধায় পান করতে পারেন।
১) গ্রিন টি
গ্রিন টি বর্তমানে ওজন কমানোর জন্য সবচাইতে পরিচিত এবং জনপ্রিয় পানীয়। দিনে প্রায় ৩ কাপ পরিমাণে গ্রিন টি পান করে আপনি বেশ দ্রুত প্রায় ৪৩% অজম কমিয়ে ফেলতে পারেন মাত্র ১ সপ্তাহের মধ্যে।
২) টকদই সমৃদ্ধ স্মুদি
স্মুদি সুস্বাদু পানীয় হলেও অনেকে এর থেকে দূরে থাকেন সুগারের জন্য। কিন্তু স্মুদিটাকেও সুস্বাদু ও ওজন কমানোর হাতিয়ার তৈরি করে নেয়া যায় স্মুদিতে টকদই ব্যবহার করে এবং চিনির পরিবর্তে মধু ব্যবহার করে। প্রায় ৬১% ওজন কমাতে পারবেন স্মুদি পান করে এবংজদি আপনি পেটের মেদ কমাতে চান তাহলে সফলতা পাবেন প্রায় ৮১% পর্যন্ত।
৩) কফি
দ্রুত ওজন কমাতে ক্যাফেইনের জুড়ি নেই। কফি বেশ দ্রুতই ফ্যাট বার্ন করে দ্রুত ওজন কমাতে সক্ষম। তবে তা অবশ্যই ব্ল্যাক কফি হতে হবে, দুধ ও চিনিতে ভরপুর কফি পান করে ওজন কমানোর আশা বাদ দিন। এবং দিনে ২/৩ কাপের চাইতে বেশী কফি পান করবেন না একেবারেই। এতেই ভালো ফলাফল পেয়ে যাবেন।
৪) দুধ
অনেকের ধারণা দুধ পান করার ফলে ওজন বাড়তে থাকে যা খুবই ভুল একটি তথ্য। দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আর এই ক্যালসিয়াম ফ্যাট বার্ন করতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী। এছাড়াও দুধ খুব ভালো প্রোটিনের উৎস যা অনেকটা সময় ক্ষুধার উদ্রেক করে না। এতে আপনি খাবার বিশেষ করে অস্বাস্থ্যকর খাবার কম খাবেন যার ফলে ওজনটাও কমাতে পারবেন দ্রুত। তবে এক্ষেত্রেও বেছে নিন ননী বিহীন দুধ।
৫) ফল ও সবজির রস
প্রতিবেলা খাওয়ার আগে যদি ১ গ্লাস পরিমাণে ফল বা সবজির রস অর্থাৎ শুধুমাত্র সরাসরি চিনি ছাড়া রস পান করে নিতে পারেন তাহলে আপনি সাধারনের চুলনায় প্রায় ১৩৫ ক্যালরি কম খাবার খাবেন। এতে আপনাআপনিই ওজন কমে আসবে অনেকটা।
৬) ঠাণ্ডা পানি
তেষ্টা মেটাতে সত্যিকার অর্থেই পানির কোনো বিকল্প নেই। আপনি পানির কাজ অন্য কোনো পানীয় দিয়ে করতে পারবেন না। খুবই আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে আপনি শুধুমাত্র পানি পানের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েও ওজন কমিয়ে আনতে পারেন অনেকটা। খাওয়ার আগে পানি পান করার অভ্যাস এবং দিনের অন্যান্য সময় পানি পান করে ক্ষুধার উদ্রেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখার ফলে ওজন কমে দ্রুত।
সূত্র 1mhealthtips
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/54563#sthash.WX004VxE.dpuf
পানীয় বলতে কি শুধুই চিনি ও কেমিক্যালে ভরপুর সফট ড্রিংকসকেই বোঝায়, যা দেহের ওজন বাড়িয়েই তুলতে থাকে? না। ওজন কমিয়ে দেয়ার জন্য যেমন রয়েছে অনেক ফ্যাটবিহীন সুস্বাদু খাবার তেমনই রয়েছে দারুণ সব পানীয়। আজকে চিনে নিন দ্রুত ওজন কমাতে কার্যকরী এমন কিছু পানীয় যা আপনি নির্দ্বিধায় পান করতে পারেন।
১) গ্রিন টি
গ্রিন টি বর্তমানে ওজন কমানোর জন্য সবচাইতে পরিচিত এবং জনপ্রিয় পানীয়। দিনে প্রায় ৩ কাপ পরিমাণে গ্রিন টি পান করে আপনি বেশ দ্রুত প্রায় ৪৩% অজম কমিয়ে ফেলতে পারেন মাত্র ১ সপ্তাহের মধ্যে।
২) টকদই সমৃদ্ধ স্মুদি
স্মুদি সুস্বাদু পানীয় হলেও অনেকে এর থেকে দূরে থাকেন সুগারের জন্য। কিন্তু স্মুদিটাকেও সুস্বাদু ও ওজন কমানোর হাতিয়ার তৈরি করে নেয়া যায় স্মুদিতে টকদই ব্যবহার করে এবং চিনির পরিবর্তে মধু ব্যবহার করে। প্রায় ৬১% ওজন কমাতে পারবেন স্মুদি পান করে এবংজদি আপনি পেটের মেদ কমাতে চান তাহলে সফলতা পাবেন প্রায় ৮১% পর্যন্ত।
৩) কফি
দ্রুত ওজন কমাতে ক্যাফেইনের জুড়ি নেই। কফি বেশ দ্রুতই ফ্যাট বার্ন করে দ্রুত ওজন কমাতে সক্ষম। তবে তা অবশ্যই ব্ল্যাক কফি হতে হবে, দুধ ও চিনিতে ভরপুর কফি পান করে ওজন কমানোর আশা বাদ দিন। এবং দিনে ২/৩ কাপের চাইতে বেশী কফি পান করবেন না একেবারেই। এতেই ভালো ফলাফল পেয়ে যাবেন।
৪) দুধ
অনেকের ধারণা দুধ পান করার ফলে ওজন বাড়তে থাকে যা খুবই ভুল একটি তথ্য। দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আর এই ক্যালসিয়াম ফ্যাট বার্ন করতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী। এছাড়াও দুধ খুব ভালো প্রোটিনের উৎস যা অনেকটা সময় ক্ষুধার উদ্রেক করে না। এতে আপনি খাবার বিশেষ করে অস্বাস্থ্যকর খাবার কম খাবেন যার ফলে ওজনটাও কমাতে পারবেন দ্রুত। তবে এক্ষেত্রেও বেছে নিন ননী বিহীন দুধ।
৫) ফল ও সবজির রস
প্রতিবেলা খাওয়ার আগে যদি ১ গ্লাস পরিমাণে ফল বা সবজির রস অর্থাৎ শুধুমাত্র সরাসরি চিনি ছাড়া রস পান করে নিতে পারেন তাহলে আপনি সাধারনের চুলনায় প্রায় ১৩৫ ক্যালরি কম খাবার খাবেন। এতে আপনাআপনিই ওজন কমে আসবে অনেকটা।
৬) ঠাণ্ডা পানি
তেষ্টা মেটাতে সত্যিকার অর্থেই পানির কোনো বিকল্প নেই। আপনি পানির কাজ অন্য কোনো পানীয় দিয়ে করতে পারবেন না। খুবই আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে আপনি শুধুমাত্র পানি পানের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েও ওজন কমিয়ে আনতে পারেন অনেকটা। খাওয়ার আগে পানি পান করার অভ্যাস এবং দিনের অন্যান্য সময় পানি পান করে ক্ষুধার উদ্রেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখার ফলে ওজন কমে দ্রুত।
সূত্র 1mhealthtips
- See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/54563#sthash.WX004VxE.dpuf

No comments:

Post a Comment